Friday, September 24, 2021

গুল কীভাবে কাজ করে? গুগলে সার্চ করার পদ্ধতি

[start] [br] [br][h2]আজকের আলোচনায় থাকছে[/h2][br] [br]সার্চ ইঞ্জিন কী?[br]সার্চ ইঞ্জিন কীভাবে কাজ করে?[br]সার্চ ইঞ্জিনে সঠিক ভাবে সার্চ করবেন কীভাবে?[br]গুগল কী আমাদের ক্ষতি করতে পারবে?[br] [img id=183] [br][h2]সার্চ ইঞ্জিন কী?[/h2] [br] [br]সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটা সিস্টেম যার মাধ্যমে ইন্টারনেটে থাকা বিভিন্ন তথ্য থেকে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন অনুযায়ী নির্দিষ্ট উত্তর ক্রমানুযায়ী সাজিয়ে প্রদর্শন করা হয়৷ কয়েকটা সার্চ ইঞ্জিনের নাম হলো: Google, Yahoo, Baidu, Aol, Ask ইত্যাদি। সব সার্চ ইঞ্জিনের কাজের পদ্ধতি মোটামুটি এক। [br] [br] [h2]সার্চ ইঞ্জিন কীভাবে সার্চ করে?[/h2] [br] [br]এই যে আপনি আমার এই লেখাটি সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে বের করলেন। কীভাবে সার্চ ইঞ্জিন এটা পেল? আমরা কী আমাদের সাইটটা সার্চ ইঞ্জিনে সেট করেছি যে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের এই সাইটটা শো করল?[ br] [br]প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন মূলত তিনটি জিনিসের উপর নির্ভর করে সার্চ রেজাল্ট বের করে।[br] [color=#FF0000]১. Spider Software[/color] [br] [color=#FF0000]২. Index Software[/color] [br][color=#FF0000]৩. Query software[/color] [br] [br] [color=#FF0000]১. Spider Software[/color] [br] [br]এটা বলার আগে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে। তা হলো প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন শুধুমাত্র শব্দ চিনতে পারে। অর্থাৎ Word কে সে আলাদা করতে পারে। এছাড়া এদের আর কোনো বৈশিষ্ট্য নেই।[br]spider software মূলত প্রতিটি ওয়েবসাইটের “word”, “link” এবং “url” কে আলাদা করতে পারে। এটিকে স্পাইডার সফটওয়ার বলার কারণ এটি মাকরসার জালের মতো ক্ষুদে বস্তুগুলোই ধরতে পারে। প্রশ্ন আসতে পারে, অনলাইনে ক্ষুদে বস্তু মানে?[br]অনলাইনের ক্ষুদে বস্তু বলার আগে একটা বিষয় বলি, অনলাইন কিন্তু অনেকটা বইয়ের মতো। আচ্ছা আমাদের বই কী দিয়ে তৈরী? কাগজ? গাছ? মেসিং? জ্বী না। এসব দিয়ে আমাদের বই তৈরী নয়। আমাদের বই তৈরী হয় কনটেন্টের সাহায্যে তৈরী। আর কনটেন্ট তৈরী তথ্য উপাত্যের সাহায্যে। তথ্য উপাত্ত তৈরী হয় বাক্যের সাহায্যে। বাক্য তৈরী হয় শব্দের সাহায্যে। শব্দ তৈরী হয়…….[br]wait! এখানে আমরা বলতে পারব না শব্দ তৈরী হয় বর্ণের সাহায্যে! কারণ বর্ণের নিজস্ব অর্থ নেই। একাধিক বর্ণ মিলে একটি অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরী হয়। অর্থাৎ এখানে ক্ষুদে বস্তু শব্দ। সুতরাং আমরা এটা বলতে পারি একাধিক শব্দ মিলে একটা বই গঠিত। আমি আগেই বলেছি বইয়ের আপডেট ভার্সন অনলাইন। এখন বলুন, অনলাইন কী দিয়ে গঠিত?[br]অনলাইন ওনেকগুলো ওয়েবসাইট নিয়ে গঠিত। ওয়েবসাইটগুলো কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। এই কনটেন্টগুলো দুইরকম। ১. শব্দ, ২. ছবি। (ছবির মধ্যে ভিডিওকেও রাখলাম।) তবে এই শব্দ ও ছবির মধ্যে শব্দটি ছোট। আর খুবই কমন।[br] [br]এখন মেইন টপিকে আসি। স্পাইডার সফটওয়ার সকল ওয়েবসাইটের এই ক্ষুদ্র শব্দগুলোকে ধারণ করে থাকে, জালে আটকিয়ে রাখে। আমরা যখন সার্চ বক্সে কোনো ওয়ার্ড, link বা url লিখি তখনই স্পাইটার সফটওয়্যার তার জালে থাকা সেই কাঙ্খিত রেজাল্ট শো করতে থাকে|[br] [img id=184] [br]উপরের ছবিতে দেখুন। আমি এখানে রাজশাহী কলেজ লিখে সার্চ দিয়ে কী ফলাফল পেয়েছি।[br] [br]একটি প্রশ্ন মনে করিয়ে দিই, আমি কিন্তু বার বার বলেছি এই জালে শুধুমাত্র শব্দ, link আর url আটকা থাকে। তাহলে সার্চ দিলে ছবি আসে কীভাবে?[br] [br]জ্বী। স্পাইডার সফটওয়্যার শুধুমাত্র শব্দ লিংক ও url শনাক্ত করতে পারে। এটি ভিডিও বা ছবি শনাক্ত করতে পারে না। এটি জানে না কোন ছবি কিসের। এমন কী ছবির উপর কোনো word, link, url থাকলে সেটাও শনাক্ত করতে পারে না। তাহলে এটি সার্চের সাথে মিলে এমন ছবি ভিডিও শো করছে কীভাবে?[br] [br]উত্তর খুব সহজ। ট্যাগের মাধ্যমে। প্রতিটি ভিডিও ছবি আপলোড করার আগে সেটাতে ট্যাগ লাগাতে হয়। ট্যাগ লাগানোরসমূল কারণ এইটা। ট্যাগ লাগালেই ছবিটি গুগল শনাক্ত করে সার্চকারীর কাছে শো করতে পারবে। একটা মজার কথা বলি? আপনি একটা ওয়েবসাইটে গুগলের লগো আপলোড করলেন। ট্যাগ দিলেন ফেসবুক। আপনি এখন আপনি ফেসবুক লিখে সার্চ করলে হাজারটা ফেসবুকের লগোর মধ্যে আপনার আপলোড করা ঐ লগোটিও পাবেন। অর্থাৎ কোনো সার্চ ইঞ্জিন কোনো ছবিকে শনাক্ত করতে পারে না।[br] [br] [br][color=#FF0000]২. Index Software[/color][br] [br]Index software কে ডাটা সংরক্ষণকারী সফটওয়ারও বলা হয়। এটি স্পাইডারে তৈরী হওয়া শব্দ, link বা url গুলোকে সংরক্ষণ করে। বুঝতে কষ্ট হলো? wait.[br] [br]স্পাইডার কী করছে? আমরা যখন কোনো শব্দ, url বা link লিখছি সেটা কোন কোন ওয়েবসাইটে মিলছে সেগুলো বের করছে। পাশাপাশি সে এগুলোকে ইনডেক্সে শেয়ার করছে। ইনডেক্স ঐ শব্দ, link, url টি সংরক্ষণ করে রাখে। এখন আবার বইয়ের আলোচনায় চলুন। আমরা কী বলেছি? বইয়ের ক্ষুদ্রতম অংশ শব্দ। আর শব্দ কিন্তু অনেকগুলো অক্ষরের সমষ্টি। আপনি শুধু এটা মনে রাখুন শব্দ অনেকগুলো অক্ষরের সমষ্টি।[br] [br]যখন সার্চ করা হয় তখন স্পাইডার সফটওয়ার এই শব্দের সাথে মিলে এমন কনটেন্টগুলো নিয়ে আসবে। সেইসাথে আপনার সার্চকরা শব্দ লিংক বা url টি ইনডেক্সে সংরক্ষণ করবে। এরপর আপনি যখন সেই একই বস্তু সার্চ করার জন্য প্রথম অক্ষরটি টাইপ করবেন, ইডেক্স তার ডাটাবেজে থাকা সেই অক্ষর নিয়ে তৈরী এমন শব্দ, url বা link শো করতে থাকবে। এটিমুলত ব্যবহারকারীর সাহায্যের জন্য করা হয়। নিচের ছবিটি দেখুন।[br] [img id=186] [br]ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন আমি একটি অক্ষর লিখেছি। সেই অক্ষেরর সাথে মিলে এমন শব্দ দেখাচ্ছে। এটি ইনডেক্সে সংরক্ষণ ছিল বলেই আসছে। আরো একটি ছবি দেখুন।[br] [img id=187] [br]এখানে এই শব্দটি আমি কখনো সার্চ করিনি। তবুও এতোগুলো অপশন কেন দেখাচ্ছে?[br] [br]এটি শুধুমাত্র আপনার ব্যবহৃত ডাটাবেজের তথ্যগুলো আপনাকে শো করবে না, যে শব্দগুলো খুব বেশি অন্যরাও সার্চ করে সেগুলো ইনডেক্সে কমন হিসেবে থাকে। তাই সেই অক্ষরের সাথে সংযুক্ত কনটেন্টগুলো আপনাকে শো করবে।[br] [br][color=#FF0000]৩. Query software[/color][br] [br]সার্চ ইঞ্জিনের সর্বশেষ কাজ কোয়েরি সফটওয়ারের। কোয়েরী সফটওয়ার মূলত আপনার জন্য কনটেন্টগুলো সাজিয়ে শো করবে। এই সফটওয়ার স্পাইডারের কাছে থেকে প্রাপ্ত তথ্যগুলো সাজিয়ে আপনার কাছে শো করবে, যা আমরা সার্চ রেজাল্ট হিসেবে জানি। কোয়েরি আপনার উত্তরগুলোকে top 10 হিসেবে প্রকাশ করবে। top 10 হচ্ছে সেইসকল কনটেন্ট যা দেখে অনেকেই উপকৃত হয়েছে, অথবা একই প্রকার সার্চ দিয়ে যে কনটেন্টগুলো বেশি দেখেছে সেগুলো top 10 আকারে কোয়েরী আমাদের সামনে শো করবে। সাধারণ কথা কোয়েরী হলো সার্চের ফলাফল।[br] [br]কোয়েরী মূলত দুটি পদ্ধতিতে top 10 লিষ্টটি সাজায়। ক. পেইড প্লেসমেন্ট ম্যাচ এবং খ. অর্গানিক ম্যাচ।[br] [br]ক. পেইড প্লেসমেন্ট ম্যাচ হলো এমন পদ্ধতি যেখানে পেজের মালিক সার্চ ইঞ্জিনকে পে করবে তার রেজাল্ট SERP-তে দেখানোর জন্য৷ অনেকটা ফেসবুকে প্রমোট করার মতো। এতে স্বাভাবিকভাবেই সার্চকারীর প্রশ্ন অনুযায়ী এই পেইড পেজে উত্তর থাকলে তা আগে প্রদর্শিত হবে। [br] [br]খ. অর্গানিক ম্যাচ হলো যেখানে সার্চকারীর প্রশ্ন অনুযায়ী যে পেজ সবচেয়ে ভালভাবে উত্তর দিতে পারবে বলে সার্চ ইঞ্জিন মনে করে, তাকে SERP-তে র‍্যাংক করায়। এখানে পেজের মালিকের কোনো পে করতে হয় না, তার কন্টেন্টের গুণে পেজ র‍্যাংক করে। এক্ষেত্রে আরও সাহায্য করে সার্চ কি-ওয়ার্ডের সাথে Document ID, URL ইত্যাদির মিল। কারণ এতে সার্চকারীর প্রশ্নের উত্তরের সাথে পেজটা কতটা সংগতিপূর্ণ তা সহজেই বোঝা যায়৷ [br] [br]এখন এই র‍্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে অর্গানিক আর পেইডে দুইক্ষেত্রে কার্যধাপ মোটামুটি মিল থাকলেও একটু পার্থক্য হলো পেইড ম্যাচে দেখতে হয় যে “এড” দেয়া হচ্ছে তা ব্যবহারকারীর উপযোগী কি না, আবার অর্গানিকের চেয়ে পেইড পেজের সংখ্যা কম, তাই সহজে র‍্যাংক করা যায়। [br] [br]অন্যদিকে অর্গানিকের ক্ষেত্রে পুরোটাই কন্টেন্ট নির্ভর। এক্ষেত্রে অবশ্য সময়ের সাথে সাথে কন্টেন্টে পরিবর্তন সাধন করেও র‍্যাংক করা যায়। [br] [br]এখন প্রশ্ন আসতে পারে, এই র‍্যাংকিং হয় কীভাবে?[br] [br]র‍্যাংকিং বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে করা হয়। যেমনঃ[br] [br]১. টেক্সট অ্যানালাইসিস: কন্টেন্টে কি-ওয়ার্ডের ঘনত্ব, ব্যবহারের স্থান, প্রশ্নকারীর উত্তরের সাথে সামঞ্জস্যতা ইত্যাদি নির্ভর করে ওই পেজ/সাইট প্রশ্নকারীকে তার যথাযোগ্য উত্তর দিতে পারবে কি না। [br]সহজ একটা উদাহরণ দিই, সার্চবারে গিয়ে কিছু লিখলে নিচে সাজেশন আসে, এবার একটা দুইটা শব্দ পালটে দিলেও সে অনুযায়ী আলাদা সাজেশন আসে, এগুলো টেক্সট অ্যানালাইসিসের একটা উদাহরণ।[br] [br]কি-ওয়ার্ড প্লেসমেন্টের জন্য সেরা তিনটা জায়গা হলো, ক. টাইটেল খ. হেডিং গ. বডির শুরুর অংশ। কারণ এই তিনটা জায়গাতেই ব্যবহারকারীর চোখ সবার আগে যায় এবং সে বুঝতে পারে এই পেজ তার উপযোগী কি না৷ [br] [br]২. লিংক অ্যানালাইসিস: এখানে অথোরিটি একটা বড় ফ্যাক্টর৷ যে পেজ/সাইটের অথোরিটি বেশি সার্চ ইঞ্জিনের কাছে তার গুরুত্ব তত বেশি৷ বয়স্ক সাইটের অথোরিটি বেশি, আবার অন্য পেইজ এই সাইটকে কতবার মেনশন করল / লিংক করল বা তার রেফারেন্স দিল এর উপরও অথোরিটি নির্ভর করে। এর জন্য সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হলো উইকিপিডিয়া। উইকিপিডিয়ার অথোরিটি অনেক বেশি৷ [br] [br]৩. ট্র‍্যাফিক অ্যানালাইসিস: সার্চ ইঞ্জিনের দুনিয়ায় “ট্র‍্যাফিক” অনেক বড় একটা ফ্যাক্টর। “ট্র‍্যাফিক” হলো একটি পেজে কতজন মানুষ ভিজিট করে তার সংখ্যা। এটাও অথোরিটি বাড়াতে সাহায্য করে। [br] [br]এখানে আরেকটা জিনিস বলা উচিত। “বাউন্সিং” বলে একটা জিনিস আছে যার অর্থ হলো ভিজিটর সাইটে ঢুকে অন্য পেজে যায়নি, বের হয়ে গেছে৷ এটা সার্চ ইঞ্জিনকে খারাপ সংকেত দেয়, মানে ওই সাইট ভাল সুবিধা দিচ্ছে না।[br] [br] [br] [br]তাহলে চলুন সহজভাবে হিসাবটা করি,[br]আমরা সার্চ বক্সে কিছু লিখতে লাগলে প্রথমে তা ইনডেক্সের সাথে ম্যাচ করে এমন রেজাল্টগুলো শো করবে। এরপর স্পাইডার তার জালে থাকা উক্ত কনটেন্টের সাথে মিলে এমন কনটেন্টগুলো কুয়েরিকে পাঠায়, পাশাপাশি ইনডেক্সে পাঠিয়ে তা ডাটাবেজে সংরক্ষণ করে। কুয়েরি তখন স্পাইডারের পাঠানো কনটেন্টগুলো top 10 আকারে সার্চকারীর সামনে শো করে।[br] [br] [br][h2]সার্চ ইঞ্জিনে সঠিকভাবে সার্চ করবেন কীভাবে?[/h2][br] [br] দেখা গেল চাচ্ছি একটা কিন্তু দেখাচ্ছে আরেকটা। আসলে আমরা যদি সঠিকভাবে সার্চ করতে পারি তাহলেই আমরা সঠিক উত্তরটি পেয়ে যাব। চলুন দেখা যাক কীভাবে সঠিক পদ্ধতিতে সার্চ করবেন-[br] [br] [br]১. পছন্দের গান কিংবা মুভি খোজার পদ্ধতিঃ[br] আপনি জেমসের গান খুজছেন। তাহলে গুগলের সার্চ বক্সে গিয়ে লিখুন, intitle:”index of” (mp3|mp4|avi) James”। যদি বিশেষ কোন গান খুজবেন , ফরমেটটি হবে: “index of” (mp3|mp4|avi) bangladesh james” কোন গানের পুরো অ্যালবাম লাগবে তখন লিখুন “index of” (mp3|mp4|avi) piano james । অন্যান্য ক্ষেত্রেও এই টিপস কাজে লাগানো যাবে।[br] ২। পিডিএফ ফাইল খোজার পদ্ধতিঃ[br]যে সম্পর্কিত পিডিএফ খুজতে চাচ্ছেন, সেটি লিখে fileType:pdf লিখতে হবে। যেমন: seo fileType:pdf
৩। কোন কিছুর অর্থ জানার পদ্ধতিঃ শুধু শব্দটির পূর্বে define লিখে দিন। যেমনঃ define: scholarship[br] ৪। বিভিন্ন পরিমাণকে অন্য পরিমাণে কনভার্ট করার পদ্ধতিঃ[br]সার্চ বক্সে যেরকম পরিবর্তন করতে চান সেটি লিখুন।। যেমনঃ kg in pound, inch in km[br] ৫। কারেন্সি কনভার্ট পদ্ধতিঃ[br]সার্চ বক্সে প্রয়োজনীয় মুদ্রা লিখে সার্চ দিন। ফরমেট টি হবেঃ USD in BDT[br] ৬. কোন এলাকার সময় জানার পদ্ধতিঃ[br] গুগলে গিয়ে নির্দিষ্ট স্থানের নামের আগে “time” শব্দটি লিখুন। যেমনঃ time ‍Rajshahi লিখে সার্চ করুন।[br] ৭. ঘরে বসে যেকোন জায়গার আবহাওয়ার রিপোর্ট বের করার পদ্ধতিঃ [br]গুগলে গিয়ে নির্দিষ্ট স্থানের নাম লিখুন এবং নামের আগে “weather” শব্দটি লিখুন। যেমনঃ weather ‍Rajshahi লিখে সার্চ করুন।[br] ৮. যেকোন এলাকার সূর্যদয় ও সূর্যাস্তের সময় জানার পদ্ধতিঃ[br]যে শহরে সূযদয় ও সূযাস্তের সময় জানতে চান, সার্চবক্সে সেই শহরের নাম লিখুন, তার আগে Sunrise বা Sunset শব্দটি লিখুন। যেমনঃ sunset : Rajshahi[br] ৯। ক্যালকুলেটরের কাজ করার পদ্ধতিঃ[br]গুগলের সার্চে একটি হিসাব টাইপ (200 + 500 =) করুন, তাহলে গুগল ক্যালকুলেটর চলে আসবে।[br] ১০. নির্দিষ্ট একটি সীমানাকে টার্গেট করে খুজে বের করার পদ্ধতিঃ [br] https://plus.google.com/local​। এবার মনে করুন আপনি রাজশাহী রেলগেটে resturant খুজবেন। সার্চের ঘরে restaurant এবং ঠিক পাশেই লোকেশন লেখার জায়গা রয়েছে। সেখানে লিখুনঃ Railgeat Rajshahi, Bangladesh লিখে সার্চ করুন। রেলগেটে অবস্থিত সকল রেস্টুরেন্টগুলোর তথ্য খুজে পেয়ে যাবেন।[br]১১. ফোন নাম্বারের মাধ্যমে এর মালিকের পরিচয় খুজে বের করার পদ্ধতিঃ[br] কোন ফোন নাম্বার এবং তার আগে শুধুমাত্র এরিয়া কোড যোগ করে গুগলে সার্চ করুন। সেই নাম্বারের মালিকের নাম ও ঠিকানা খুজে বের করে দিবে এই গুগল।[br] ১২।বিমানের ফ্লাইট শিডিউল এবং মালপত্র খোজার পদ্ধতিঃ [br] সার্চের বক্সে প্লেন এবং তার ফ্লাইটের নাম্বার প্রবেশ করিয়ে এর বর্তমান অবস্থান এবং পৌছানোর সময় সম্পর্কে জানা যায়। আর কুরিয়ার সার্ভিসের ক্ষেত্রে UPS, FedEx অথবা USPS এবং সাথে এর ট্রাকিং নাম্বারটি লিখে সার্চ দিন। পেয়ে যাবেন তথ্য। ফরমেটটি হবেঃ fly dhaka 456[br] ১৩. যেকোন ভাষাতে ট্রান্সলেট করার পদ্ধতিঃ[br]translate.google.com.bd এ গিয়ে বামের খালি ঘরে মুল লেখাটি পোস্ট করুন। তারপর যে ভাষাতে ট্রান্সলেট করতে চান, সেটি সিলেক্ট করে Translate এ ক্লিক করলেই ডান পাশের খালি ঘরে সেটি দেখাবে।[br]১৪. হুবহু কীওয়ার্ড ব্যবহার করা ওয়েবসাইটের লিস্ট খুজে বের করার পদ্ধতিঃ[br]কীওয়ার্ডটির দু’পাশে কোটেশন মার্ক ব্যবহার করুন। যেমনঃ “seo course in Bangladesh” দিয়ে গুগলে সার্চ করলে এই কীওয়ার্ড যেই যেই ওয়েবসাইট হুবহু ব্যবহার করেছে, গৃগল তাদের লিস্ট রেজাল্টে প্রকাশ করবে।[br] ১৫. ধরুন আপনি কক্সবাজারের তথ্য জানতে চান। কিন্তু রেষ্টুরেন্টের কোনো কন্টেন্ট দেখতে চান না। তাহলে সার্চ বক্সে লিখুন coxsbazar – resturent[br] [br] [br] [br] [h2]google কী আমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারে?[/h2][br] [br]প্রথমেই বলেছি, গুগল আমাদের সমস্ত ডাটাবেজ ইনডেক্স সফটওয়ারে সংরক্ষণ করে রাখে। এখন তারা এই ডাটাবেজ অন্য কারো কাছেও বিক্রি করতে পারবে।[br] [br]আসুন বিষয়টা ক্লিয়ার করি,[br]আপনার ফেডফোন নষ্ট হয়ে গেছে। আপনি গুগল করে দেখলেন কোন হেডফোনটা কেমন। একটু পরেই আপনার কাছে বিভিন্ন হেডফোনের বিজ্ঞাপনের আসতে থাকল। কারণটা কী? কারণ গুগল আপনার ইন্টারেষ্টেড জিনিসটি গুগল শনাক্ত করে তা সেই কোম্পানিদের কাছে বিক্রী করছে। এখন আপনার মনে হলো, আপনি এমন কিছু সার্চ করতে চান যা গুগলের ডাটাবেজে যেন সংরক্ষণ করতে না পারে। সেক্ষেত্রে কী করা উচিত?[br] [br]প্রথমেই আপনাকে google go অ্যাপসে প্রবেশ করতে হবে।[br] [img id=188] [br]তারপর নিচের মার্ক করা জায়গায় ক্লীক করুন। [br][img id=189] [br]এতে আপনার প্রাইভেট সার্চ ওপেন হয়ে যাবে। এখন আপনি যা সার্চ দিবেন তা আর ডাটাবেজে সংরক্ষণ হবে না। [br][end]

Related Articles

2 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

0FansLike
2,955FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles