Warning: call_user_func_array() expects parameter 1 to be a valid callback, function 'new_excerpt_more' not found or invalid function name in /home/pricalqz/trickbn.com/wp-includes/class-wp-hook.php on line 303
Android Tips

জেনে নিন google photos এর বিষয়ে (part 1)

[start] [br] [br] আজকে আপনাদের সাথে Google Photos নিয়ে আলোচনা করব।[br]এই নিবন্ধ পড়ে আপনি যা যা জানতে পারবেন,[br] Google photos কী[br] Google photos কেন ব্যবহার করা হয়[br] Google photos দিয়ে আপনি কী কী করতে পারবেন[br] [br] [h2]Google photos কী?[/h2] [br]Google photos গুগলের একটি সেবা যা আপনার ছবিগুলো সংরক্ষণ করে রাখে। 2015 সালের মে মাস থেকে এর যাত্রা শুরু হয়। গুগল তাদের ব্যবহারকারীদের জন্যে এই পরিসেবা সংযুক্ত করেছে। এটি সবচেয়ে নিরাপত্তা দিয়ে তার ব্যবহারকারীদের ছবি সংরক্ষণ করে রাখে। এটি আপনার মেমোরি কার্ডের মতো কাজ করে।[br] [br] [h2]Google photos কেন ব্যবহার করবেন?[/h2] [br]কেন ব্যবহার করবেন সেটা বলতে গেলে আপনাকে আমার একটা গল্প পড়তে হবে। নবম শ্রেণী থেকে আমি ফোন ইউজ করি। ফোন বলতে জাভা ফোন। সেই ফোনে আমি একটা মেমোরি কার্ড রেখতাম। তো বন্ধুদের সাথে যে ছবিগুলো তুলতাম সেগুলো আমার ফোনে ট্রান্সফার করে রাখতাম। বন্ধুদের সাথে কাটানো সব মহূর্তোগুলো রেখে দিতাম। 2020 সালে স্কুল থেকে বিদায় নিলাম। বিদায়ের দিন সবার সাথে প্রচুর ছবি তুলে রেখেছিলাম। এরপরে কলেজে ভর্তি হলাম। তো আমি তখন একটা স্মার্টফোন গিফট পেলাম। মেমোরি কার্ডটা স্মার্টফোনে সেট করে দিলাম আর কিছু কিছু ছবি ফেসবুকে অ্যাপলোড দিলাম। হটাৎ একদিন আমার মেমোরি কার্ড ডেথ হয়ে গেলো! মুহূর্তে আমার সব পুরোনো স্মৃতি হারিয়ে গেলো। খুব কষ্ট পেয়েছিলাম তখন। ফেসবুকে যেগুলো আপলোড করেছিলাম সেগুলো আবার ডাউনলোড দিলাম। কিন্তু ছবির কোয়ালিটিগুলো ভালো ছিল না। কারণ ফেসবুকে আপনি কোনো ছবি আপলোড দিলে সেই ছবি তারা কেটে রেজ্যুয়েলেশন কিছুটা কমিয়ে দেয়। এরপর ঠিক করলাম আর এই ভুল করব না। আমার এক বন্ধুর পরামর্শে গুগল ফটোস ব্যবহার শুরু করলাম। তারপরেও কেন জানি ভয় লাগতো হয়তো এখান থেকেও ছবিগুলো হারিয়ে যাবে। উইকিপিডিয়াতে এই ব্যাপারে ঘাটাঘাটি করে অনেক তথ্য পেলাম। তারপরে নিশ্চিন্ত হয়েছি। বুঝতে পারলেন কেন এটি ব্যবহার করতে বলেছি? এটি ব্যবহার করলে আপনি আপনার ফটোগুলো সেভ করে রাখতে পারবেন। আপনাকে আলাদা মেমোরি কার্ড ব্যবহার করতে হবে না। শুধু দরকার আপনার একটি গুগল অ্যাকাউন্ট। এতে আপনি আপনার সমস্ত ছবি, ভিডিও সেভ করে রাখতে পারবেন। ভাইরাস দ্বারা নষ্ট হওয়ারও চান্স নেই। কারণ গুগল আপনার ফটোগুলো খুব যত্নের সাথে সংরক্ষণ করে। আর এগুলো তাদের নিজস্ব স্টোরে সংরক্ষণ থাকে। সুতরাং আপনার মেমোরী কার্ড নষ্ট বা হারিয়ে গেলে ছবি নিয়ে কোনো প্রকার মন খারাপ হবে না। শুধু এই একটি যে সুবিধা তাই নয়, আপনার ফোন না থাকলে বা হারিয়ে গেলেও কোনো ভয় নেই। যেকোনো ডিভাইস দিয়ে গুগল ফটোস অ্যাপে আপনার জিমেইল আইডি লগইন করলেই সমস্ত ছবিগুলো পেয়ে যাবেন![br] [br] [h2]Google photos দিয়ে আপনি কী কী করতে পারবেন?[/h2] [br]গুগল এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা তার ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ সুবিধা দিয়ে থাকে। গুগলের মাত্র একটি অ্যাকাউন্ট দিয়েই আপনি গুগলের সমস্ত পরিসেবা ব্যবহার করতে পারবেন। ফেসবুক, ইন্ট্রাগ্রাম, হোয়াটস অ্যাপ, লিংকেড একই প্রতিষ্ঠানের হলেও আপনাকে সবগুলোর জন্যে আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্ট তৈরী করতে হচ্ছে। কিন্তু গুগলের একটি অ্যাকাউন্ট দিয়েই আপনি গুগলের সমস্ত পরিসেবা ব্যবহার করতে পারবেন। গুগল ফটোসও তার ব্যতিক্রম নয়।[br]ধরুন আপনি দেশের বাহিরে গেছেন। হটাৎ ফোন হারিয়ে ফেললেন। এতে করে আপনার ফোনে থাকা ছবি বা ভিডিও ঐ দেশের মানুষদের দেখাতে পারছেন না। খুব ইচ্ছে হচ্ছে আপনার দেশের সুন্দর ছবিগুলো দেখিয়ে আপনার দেশকে রিপ্রেজেন্ট করতে চান। যদি আপনার গুগল ফটোসে পিকগুলো স্টোরেজ করে রাখেন তাহলে কোনো প্রকার দুশ্চিন্তা ছাড়াই যেকোনো ডিভাইস দিয়ে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে ছবিগুলো দেখাতে পারবেন। [br]আবার ধরুন, আপনি কাওকে ইমেলে আপনার বিয়ে, র‍্যাগডে বা বিশেষ সময়ের কোনো ছবি বা ভিডিও পাঠাতে চান। এক্ষেত্রে আপনি গুগল ফটোস থেকে ছবি বা ভিডিওগুলো সিলেক্ট করে সহজেই পাঠাতে পারবেন। ইমেইল আলাদা করে স্কানিং করবে না। এতে আপনার অনেক সময় বেচে যাবে। আপনি ইচ্ছে করলে মুহূর্তে গ্যালারির সমস্ত ছবি ও ভিডিও পাঠাতে পারবেন।
আপনি ইমেইল না করেও আরো সহজে এগুলো শেয়ার করতে পারবেন, এতে আপনার সময়ের সাথে সাথে ডাটাও বেচে যাবে। আপনি গুগল ফটোসে গিয়ে শেয়ার অপশনে গিয়ে যার সাথে শেয়ার করতে চান তার ইমেইলটা যুক্ত করে দিলেই হবে। শুধু তাই নয়, আপনি যে যে ফটো দেখার পারমিশন দিবেন শুধু সেই ফটোগুলোই দেখতে পারবে।[br] [br] [end]

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button