Warning: call_user_func_array() expects parameter 1 to be a valid callback, function 'new_excerpt_more' not found or invalid function name in /home/pricalqz/trickbn.com/wp-includes/class-wp-hook.php on line 303
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আলট্রাসনোগ্রাফি কী? এটার কাজ কী ?দেখুন পোষ্টে

[start] [img id=2206] [color=green] আলট্রাসনোগ্রাফি দিয়ে শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ,মাংসপেশি ইত্যাদির ছবি তোলা হয় ।এটি করার জন্য খুব উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ ব্যবহার করে তার প্রতিধ্বনিকে শনাক্ত করা হয় ।শব্দের কম্পাঙ্ক 1-10 মেগাহাটজ হয়ে থাকে বলে একে আলট্রাসনোগ্রাফি বলা হয়ে থাকে ।

#আলট্রাসনোগ্রাফি যন্ত্রে ট্রান্সডিউসার নামে একটি স্ফটিককে বৈদ্যুতিক শক্তি দিয়ে উদ্দীপ্ত করে উচ্চ কম্পাঙ্কের আলট্রাসনিক তরঙ্গ উৎপন্ন করা হয় ।আলট্রাসনিক যন্ত্রে এই তরঙ্গকে একটা সরু বিমে পরিণত করা হয় ।শরীরের ভেতরের যে অঙ্গটির প্রতিবিম্ব দেখার প্রয়োজন হয় ট্রান্সডিউসারটি শরীরের উপরের সেখানে স্পশ করে বিমাটিকে শরীরের ভেতরে প্রবেশ করানো হয়,রোগী সে জন্য কোনো ব্যাথা বা অস্বস্তি অনুভব করে না ।যে অঙ্গের দিকে বিমটি নিদেশ করা হয় সেই অঙ্গের প্রকৃতি অনুযায়ী আলট্রাসনিক তরঙ্গ প্রতিফলিত ,শোষিত বা সংবহিত হয় ।যখন বিমটি মাংসপেশি বা রক্তের বিভিন্ন ঘনত্বের বিভেদতলে আপতিত হয় তখন তরঙ্গের একটি অংশ প্রতিধ্বনিত হয়ে পুনরায় ট্রান্সডিউসারে ফিরে আসে ।এই প্রতিধ্বনিগুলোকে বৈদুৎতিক সংকেতে রূপান্তর করে সমন্বিত করে একটি পূণাঙ্গ প্রতিবিম্ব তৈরি করেহ।

#আলট্রাসনোগ্রাফি এর ব্যবহার —
১।আলট্রাসনোগ্রাফির সবচেয়ে গুরুত্বপূন ব্যবহার স্ত্রীরোগ এবং প্রসূতিবিঘানে ।এর সাহায্যে ভ্রণের আকার,গঠন,স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক অবস্থান ইত্যাদি জানা যায়,প্রসূতিবিঘানে এটি একটি দ্রুত,নিরাপদ এবং নিভরযোগ্য ।

২।আলট্রাসনোগ্রাফি দিয়ে জরায়ুর টিউমার এবং অন্যান্য পেলভিক মাসের উপস্থিতিও শনাক্ত করা যায়।

৩।পিত্তাপাথর ,হৃদযন্ত্রের ত্রুটি এবং টিউমার বের করার জন্যও আলট্রাসনোগ্রাম ব্যাবহার করা হয় ।হৃৎপিন্ড পরীক্ষা করার জন্য যখন আলট্রাসাউন্ড ব্যবহার করা হয় তখন এই পরীক্ষাকে ইকোকাডিওগ্রাফি বলে।

এক্স-রের তুলনায় আলট্রাসনোগ্রাফি অনেক বেশি নিরাপদ ,তবুও এটাকে ঢালাওভাবে ব্যবহার না করে সীমিত সময়ের জন্য ব্যবহার করা হয় । ট্রান্সডিঊসারটি যেন কোনো নিদিষ্ট স্থানে বেশি সময়ের জন্য একটানা বিম না পাঠায় সে জন্য আলট্রাসাউন্ড করার সময় ট্রান্সডিউসারটিকে ক্রমাগত নড়াচড়া করাতে হয়।। [/color] [end]

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button