বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আলফা কনা কী

[start] [color=green]ভারী তেজস্ক্রিয় মৌলের
নিউক্লিয়াস থেকে এক ধরে
উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রশ্মি বের
হয় একে তেজস্ক্রিয় রশ্মি
বলে। এই রশ্মির পথে উচ্চ
চৌম্বক ক্ষেত্র বা
বৈদ্যুতিক চুম্বক ক্ষেত্র
প্রয়োগ করলে কিছু রশ্মি
বেকে যাওয়া সত্বেও কিছু
বেকে যায়না, অপেক্ষাকৃত
হালকা সরলপথে গমন কারি
এই রশ্মি সৃষ্টি কারী
কনাকে আলফা কনা বলে(একটু
মডিফাই করে বলা হল)
অর্থাৎ আলফা কনা হচ্ছে
তেজস্ক্রিয় ভারি ধাতুর
নিউক্লুয়াস থেকে সরল
রেখায় বিকিরিত হালকা
এক প্রকার কনা। এই
তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার
করেন হেনরি বেকেরেল।
তেজষ্ক্রিয়তার একক ও
বেকেরেল [/color] [color=blue]আলফা কণার
গতিবেগ আলোর বেগের ১০
ভাগ। এর ভর হাইড্রোজেন
পরমাণুর চার গুণ। এর ভর
বেশি হওয়ায় এর ভেদন
ক্ষমতা কম। এ কণা
ফটোগ্রাফিক প্লেটে
প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
কোন নিউক্লিয়াস থেকে
যদি একটা আলফা কণা বের
হয়ে আসে তাহলে সেই
পরমাণুর
পারমাণবিক
সংখ্যা কমবে দুই ঘর,
নিউক্লিওন সংখ্যা কমবে
চার ঘর। যেমনঃ
ইউরেনিয়ামের একটি
আইসোটোপ আলফা কণা
বিকিরণ করে থোরিয়ামের
একটি আইসোটোপে পরিণত
হয়। একটা নিউক্লিয়াসের
ভেতর থেকে যখন একটা
আলফা কণা বের হয়ে আসে
তখন তার শক্তি থাকে কয়েক
M e V {\displaystyle MeV}
কাজেই সেটা যখন
বাতাসের ভেতর দিয়ে যায়
তখন বাতাসের
অণু-পরমাণুর
সাথে সংঘর্ষ করে
সেগুলোকে তীব্রভাবে
আয়নিত করতে পারে। আলফা
কণার গতিপথ হয় সরল রেখার
মতো-সোজাসুজি এগিয়ে
যায়। তবে আলফা কণা
যেহেতু হিলিয়ামের
নিউক্লিয়াস, তাই এটা
পদার্থের ভেতর দিয়ে
বেশি দূর যেতে পারে না-
এটাকে থামিয়ে দেয়া সহজ।
বাতাসের ভেতর দিয়ে 6cm
যেতে না যেতেই এটি
বাতাসের অণু-পরমাণুকে
তীব্রভাবে আয়নিত করে
তার পুরো শক্তি ক্ষয় করে
থেমে যায়। একটা
কাগজ
দিয়েই আলফা কণাকে
থামিয়ে দেওয়া যায়।
জিংক সালফাইড পর্দায়
এটি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
আলফা কণা যাবার সময়
অনেক
ইলেকট্রন এবং আয়ন
তৈরি করে, সেগুলো
নানাভাবে নির্ণয় করা
যায়। বর্তমানে
ইলেকট্রনিক্সের অনেক
উন্নতি হওয়ায় এই ধরনের
আলফা কণার উপস্থিতি বের
করা আরো সহজ হয়ে গেছে।
[/color] [end]

Related Articles

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button