HomeEducation Guidelineটাইম ট্রাভেল (ওয়ার্মহোল,টেলিপোর্টেশন,ড্রাইভক্রাফ্ট,গ্রেনফাডার পেরাডক্স!!!!)

2 months ago (March 29, 2018)

টাইম ট্রাভেল (ওয়ার্মহোল,টেলিপোর্টেশন,ড্রাইভক্রাফ্ট,গ্রেনফাডার পেরাডক্স!!!!)

Category: Education Guideline Tags: , , by


সবাইকে স্বাগতম


1916 সালে ওয়ারমহোল প্রথম তত্ত্বটি রচনা করেছিলেন (যদিও সে সময়ে এটি বলা হয় নি), আপেক্ষিকতার জন্য আইনস্টাইনের সমীকরণ থেকে উদ্ভূত হয়েছে। একটি wormhole একটি উচ্চ মাত্রা মাধ্যমে একটি সাজানোর সুড়ঙ্গ মাধ্যমে স্থান দুটি পয়েন্ট সংযোগ করে। একটি wormhole এক প্রান্ত প্রবেশের একটি বস্তুর অন্য প্রান্তে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে উদ্ভূত হবে, এমনকি যদি openings ট্রিলিয়ন মাইল দ্বারা পৃথক করা হয়।
ধরুন একটি কাগজের দুই প্রান্তে দুটি ছিদ্র আছে।এখন দুটি ছিদ্র দিয়ে সুতা ডুকান।আবশ্যই এর জন্য সুতা বেশি লাগবে।কিন্তু আপনি যদি কাগজটিকে এমন ভাবে ভাজ করেন যেন দুটি ছিদ্র ঠিক বরাবর লেগে থাকে তহলে আপনার আনেক কম সুতা লাগবে।
এখন আপনি কাগজটিকে স্থানকালের পর্দা চিন্তা করুন।ধরএন আপনি স্থান কালের এক প্রান্তে আছেন এখন আন্য প্রান্তে যেতে হবে।উদাহরনের সুতাটিকে আপনি সমন ধরুন।এখন ঠিক ঐ ঘটনা।আপনি এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো স্থান কালকে ভাজ করে কম সময়ে বেশি পথ আতিক্রম করা।এতে আপনি এক স্থান ও কাল থেকে অন্য স্থান কালে চলে যাবেন।
এখোনো space এ কোথাও wormhole এর অস্তিত্ত পাওয়া যায়নি। তাই physisist রা wormhole বানানোর চিন্তা করছেন। কিন্তু এটি বানানোর জন্য যে পরিমান শক্তি প্রয়জন তা হলো পৃথিবীর এক বছরে ব্যয়িত শক্তিরও শত গুণ শক্তি।

টাইম ট্রাভেল করার আরেকটি নিয়ম হলো টেলিপোর্টেশন।


এখন কথা বলব কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন। এর মাধ্যমে কোনো বস্তু সহজেই এক জায়গা হতে অন্য জায়গায় প্রেরন করা যায়। এ পদ্ধতিতে কোনো বস্তুতে বিদ্যমান কণাকে প্রথমে একবারে আলাদা করে তাকে ডিজিটাল সিগনেলে পরিনত করা হয়।এর পরে তাকে তরঙ্গ আকারে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় প্রেরণ করা হয়। নির্দিষ্ট জায়গায় পোছানোর পর তা আগে যেভাবে বিন্যস্ত ছিল সেভাবে বিন্যস্ত করতে হবে তাহলে তা সহজেই যেকেনো কালে পৌছে যাবে।
খুশির খবর হলো physisist রা ফোটনকে টেলিপোর্ট করতে পেরেছেন।
কিন্তু একজন মানুষকে টেলিপোর্ট করতে হলে যে শক্তি প্রয়জন তা পৃথিবীতে নেই।
কিন্তু ধরুন সে পরিমাণ শক্তি আপনার কাছে আছে তাহলেও কি আপন কাউকে টেলিপোর্ট করতে পারবেন।
আবশ্যই পারবেন কিন্তু দঃখের খবর যে ওকে টেলিপোর্ট করে নির্ধারিত স্থানে নিতে সময় লাগবে মহাবিশ্বের বয়সের তিন গুণ সময়।আবার টেলিপোর্ট করা বস্তু তার অতিডের সব কথা ভুলে যবে।

টাইম ট্রাভেলের আরেকি উপায় হলো
DRIVE CRAFT।

এটি হলো একটি স্পেসশিপ।এর মাধ্যমে এক যয়গার স্থানকালকে বাকিয়ে কাছে নিয়ে আসা হয় এর পর সহজেই এর মধ্য দিয়ে ডুকে past-future ভ্রমণ করা যাবে।কিন্তু drivecraft এর বেগ হতে হবে আলোর বেগের ৯৫-৯৯.৯৯%।কিন্তু এমন কিছুতো আবিষ্কার হয়নি।

PARDOX:
প্যরাডক্স হলো সেসব যুক্তি যা দিয়ে বোঝানো হয় যে টাইম ট্রাভেল সম্ভব নয়।
একটি হলো ” GRAND FATHER PARADOX”
এতে বলা হয়েছে :ধরুন আপনি কোনোভাবে টাইম ট্রাভেল করে অতিতের সে সময়ে গেছেন যখন আপনার আপন দাদা জন্ম হয়েছে ।তখন আপনি আপনার দাদাকে সাথে সাথে মেরে ফেললেন।তখন ভাবুন যদি আপনার দাদা না থাকে তাহলে আপনার বাবাও থাকবে না।আপনার বাবা না থাকলে আপনিও জন্মাবেন না।আর আপনি না জন্মালে আপনি কিভাবে অতিতে এসে আপনার দাদাকে মারলেন????????
আপনার উত্তর আবশ্যই কমেন্টে দিবেন।

সব পোস্টে আমি time travle করার নিয়ম দেখালাম।এবং শেষে বললাম এমন জিনিসের কথা যা বর্তমানে নেই।কিন্তু আপনারা হতাশ হবোন না।কারণ অতি দ্রুতই মানুষ টাইম ট্রাভেল করতে পারবে।যদি আমরা তখন না থাকার সম্ভবনা কম তার পরেও।

About 6

author

আমি ছাত্র। আমি হতে চাই পদার্থবিদ। আমার কাছে আপনি পদার্থবিজ্ঞানের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার আশা রাখতে পারেন।✌✌ ✌

1 responses to “টাইম ট্রাভেল (ওয়ার্মহোল,টেলিপোর্টেশন,ড্রাইভক্রাফ্ট,গ্রেনফাডার পেরাডক্স!!!!)”

  1. NAIMISLAM (editor) says:

    সুখবর সুখবর আমাদের সাইটে ads পিন আসলেই পেমেন্ট করা হবে।টাকার পরিমাণ 40k টাকা

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.